You are currently viewing গ্রাফিক্স ডিজাইন ইন্ডাস্ট্রিতে কি ধরণের কাজ করা যায়?

গ্রাফিক্স ডিজাইন ইন্ডাস্ট্রিতে ওয়ার্ক অপর্চুনিটি

গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করতে চাইলে প্রথমে আপনার ইন্টারেস্ট ও আপনার দক্ষতা খুঁজে বের করুন। কারণ গ্রাফিক্স ডিজাইন ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক নিশ আছে। নিশ অনুযায়ী আপনি যদি স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে পারেন তাহলে ইন্ডাস্ট্রিতে আপনি আপনার নিশভিত্তিক ভ্যালু ক্রিয়েট করতে পারবেন। যাই হোকে, আজ আমরা গ্রাফিক্স ডিজাইন ইন্ডাস্ট্রিতে মোস্ট ভ্যালুয়েবল ক্যাটাগরি ও ওয়ার্ক অপর্চুনিটিগুলো সম্পর্কে জন্য।  

গ্রাফিক্স ডিজাইন ইন্ডাস্ট্রির ট্রেন্ড অনুযায়ী মোটামুটি ৮ ধরণের কাজ ক্যাটাগরিতে কাজ করা হয়ে থাকে। যেমন-

  1. ব্র্যান্ড ইডেন্টিটি ডিজাইন
  2. এডভার্টাইজিং বা মার্কেটিং  ডিজাইন
  3. প্যাকেজিং বা লেবেল ডিজাইন
  4. ওয়েব ইন্টারফেস বা UI ডিজাইন
  5. পাবলিকেশন ডিজাইন
  6. লেটার বা ফন্ট ডিজাইন
  7. ইলাস্ট্রেশন
  8. ডাটা ভিজুলাইজেশন বা ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন

কনসেপ্ট ক্লিয়ার করার জন্য নিচে ক্যাটাগরি অনুযায়ী উদাহরণ দেয়া হলো- 

ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন

  1. ব্র্যান্ড স্ট্রাটেজি
  2. টাইপোগ্রাফি
  3. কালার প্যালেট
  4. লোগো ডিজাইন
  5. বিজনেস কার্ড ও স্টেশনারি ডিজাইন
  6. আইকন ডিজাইন
  7. ব্র্যান্ড গাইডলাইন 

এডভার্টাইজিং বা মার্কেটিং  ডিজাইন

  1. প্রিন্ট ও ডিজিটাল এডভার্টাইজমেন্ট
  2. সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স
  3. পডকাস্ট কভার আর্ট
  4. ব্যানার ডিজাইন
  5. মার্কেটিং ইমেইল ডিজাইন
  6. ব্রুশিয়ার ও পোস্টার
  7. বিলবোর্ড
  8. ভাইকেল ওয়ার্প ডিজাইন
  9. পিচ ডেস্ক ও প্রেসেন্টেশন 

প্যাকেজিং বা লেবেল ডিজাইন

  1. বক্স ডিজাইন
  2. কনজ্যুমার প্রোডাক্ট ডিজাইন
  3. প্রোডাক্ট লেভেল ডিজাইন 

ওয়েব ইন্টারফেস বা UI ডিজাইন

  1. হিরো ইমেজ ডিজাইন
  2. ফর্ম ডিজাইন
  3. প্রোডাক্ট পেজ ডিজাইন
  4. ব্লগ ইমেজ ডিজাইন
  5. ওয়েব এলিমেন্ট ডিজাইন 

পাব্লিকেশন ডিজাইন

  1. বুক ডিজাইন
  2. ম্যাগাজিন ও নিউজপেপার লেআউট ডিজাইন
  3. মেনু ডিজাইন
  4. এলবাম কভার ডিজাইন
  5. মার্চেন্টডাইজ ও এপারেল ডিজাইন
  6. ব্রুশিয়ার বা ফ্ল্যায়ার ডিজাইন
  7. স্টেশনারি ডিজাইন 

টাইপোগ্রাফি ডিজাইন

  1. ফন্ট ডিজাইন 
  2.  ফন্ট ফেস ডিজাইন 

ইলাস্ট্রেশন

  1. ডিজিটাল প্রোডাক্ট
  2. ব্লগ পোস্ট
  3. বুক ও ম্যাগাজিন
  4. গেমস
  5. গার্মেন্টস

ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন

  1. ডাটা ভিজুলাইজেশন
  2. রিপোর্ট প্রেসেন্টেশন 

 

আপনার মনে রাখা উচিত যে যাদের একটি বিষয়ের উপর  ফোকাসড এবং স্পেশালাইজড তারাই ইন্ডাস্ট্রিতে ডমিনেট করতে পারেন এবং বেশি স্যালারি পেয়ে থেকেন। সুতরাং যে ধরণের ডিজাইন ক্যারিয়ারই আপনি বেছে নিন না কেন, একটি আকর্ষণীয় ডিজাইন পোর্টফোলিও তৈরি করতে ভুলবেন না যা আপনি যে ধরণের প্রকল্পের জন্য নিয়োগ পেতে সাহায্য করবে। 

Leave a Reply