সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং কি? সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং কেন করা উচিত?

মোটকথা গুগলর সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন চালিয়ে মার্কেটিং বা প্রমোশন করাই হলো সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং। গুগলের সার্চ রেজাল্ট পেজে যেমন অর্গানিক রেজাল্ট দেখায় তেমনি সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর রেজাল্ট অর্গানিক রেজাল্ট এর উপরে দেখায় এবং উক্ত বিজ্ঞাপনের বাম পাশে ছোট করে এড (বিজ্ঞাপন) কথাটি লেখা থাকে। সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর টুলস হলো Google Ads যা পূর্বে গুগল Google Adwords নামে পরিচিত ছিল। এটা সমূর্ণ পেইড একটি মেথড।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর উদ্দেশ্য

বিষয়টি সহজভাবে যদি বলি তাহলে আমরা এভাবে বলতে পারি SEO করার মাধ্যমে আমার গুগল এ রেজাল্ট পেজে উঠে আসতে পারি। কিন্তু যদি আপনার ওয়েবসাইট SEO না করা থাকে অথবা আপনার ওয়েবসাইট একদমই নতুন তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক জেনারেট কিভাবে করবেন? ট্রাফিক জেনারেট করতে আমরা অনেক ধরণের স্ট্রাটেজি ব্যবহার করতে পারি, তার মধ্যে SEM (Search Engine Marketing) অন্যতম।

কনসেপ্ট অফ সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং

উপরে আমরা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং সম্পর্কে বলেছি, এখন আমরা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর কনসেপ্ট সম্পর্কে জানব। যখন আমরা গুগল এ কোনো কিছু লিকে সার্চ করি তাহলে গুগল এ রেজাল্ট পেজ এ ২ ধরণের রেজাল্ট দেখায়-

  • গুগল এর বিজ্ঞাপন রেজাল্ট
  • গুগল এর অর্গানিক রেজাল্ট 

কিন্তু মজার বিষয় হলো ২টি রেজাল্টই দেখিয়েছে আপনি যা লিখেছিলেন গুগল এর সার্চ পেজে তার বিপরীতে। এখন আপনি গুগল এ যা লিখেছিলেন তাকে বলা হচ্ছে “কীওয়ার্ড”। মূলত এটাকে কীওয়ার্ড বেজ মার্কেটিং ও বলা হয়ে থাকে। এখনো আমরা SEM এর প্রধান কিছু জার্গন উল্লেখ করা হলো-

  • এড একাউন্ট
  • ক্যাম্পেইন
  • কীওয়ার্ড
  • এডগ্রূপ
  • এডস
  • ল্যান্ডিং পেজ 
  • ইম্প্রেশন 
  • ক্লিক 
  • CTR 
  • CPC 
  • কোয়ালিটি স্কোর

SEM কিভাবে আপনার ব্যবসাকে সাহায্য করতে পারে?

এখন আমরা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর কিছু বেনিফিটস তুলে ধরবো।

  • কোয়ালিটি ট্রাফিক জেনারেট করা যায়
  • টার্গেটেড কাস্টমার পাওয়া যায়
  • অনেক কনভার্সন পাওয়া যায়
  • ল্যান্ডিং পেজ টেস্ট করা যায়
  • এক্সাক্ট কীওয়ার্ড বা অনেক সার্চ টার্ম পাওয়া যায়
  • সব কীওয়ার্ড টার্গেট করে বিড করা যায়
  • খুব দ্রুত রেজাল্ট পাওয়া যায়

 

Leave a Reply